খুচরা ট্রেডার বনাম ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডার

মার্কেটে মূলত দুই ধরণের ট্রেডার থাকে —

১। খুচরা ট্রেডার (Retail Traders)
২। ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডার (Institutional Traders)

এদের মধ্যে ৩ ভাবে লেনদেন হতে পারে -

১। খুচরা বনাম খুচরা (Retail vs Retail)

২। ইনস্টিটিউশন বনাম ইনস্টিটিউশন (Institution vs Institution)

৩। খুচরা বনাম ইনস্টিটিউশন (Retail vs Institution)

লেনদেনের ভিন্নতার ফলে ভলিউম, ক্যান্ডেল ও ট্রেন্ড এ পরিবর্তন দেখা যায়। নিচে ধাপে ধাপে সম্ভাব্য পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা হলো:

১। খুচরা বনাম খুচরা (Retail vs Retail)
ভলিউম: তুলনামূলকভাবে কমে যায়।
ক্যান্ডেল সাইজ: ছোট হয়, কারণ ট্রেডের পরিমাণ কমে যায় এবং বিক্রেতারা একমুখী থাকে না।
মার্কেট অবস্থা: সাইডওয়ে বা রেঞ্জ-বাউন্ড অবস্থায় থাকে।
প্রাইস মুভমেন্ট: ছোটখাটো কারেকশন দেখা যায়, কিন্তু বড় ট্রেন্ড তৈরি হয় না।
অর্থ: স্মার্ট মানি বা বড় ইনস্টিটিউশন তখন মার্কেটে সক্রিয় নয়। এই সময় সাধারণত একিউমুলেশন বা রি-অ্যাকুমুলেশন হতে পারে।

২। ইনস্টিটিউশন বনাম ইনস্টিটিউশন (Institution vs Institution)
ভলিউম: প্রচুর বেড়ে যায়, কারণ বড় অর্ডারগুলো এক্সিকিউশন হয়।
ক্যান্ডেল সাইজ: ছোট হয়, কারণ ক্রয়-বিক্রয়ের শক্তি প্রায় সমান থাকে, একই প্রাইসে বড় বড় অর্ডার এক্সিকিউশন হয় ।
মার্কেট অবস্থা: আবারও সাইডওয়ে বা কনজেশনের মতো হয়, প্রাইস একটি রেঞ্জের মধ্যে লড়াই করে।
অর্থ: এটি সাধারণত এক ইনিস্টিটিউশনের ডিস্ট্রিবিউশন এবং অন্য ইনিস্টিটিউশনের একিউমুলেশন পর্যায়ে দেখা যায়। এটিকে ইনিস্টিটিউশনাল একিউমুলেশন ডিস্ট্রিবিউশন ক্লাইম্যাক্স বলা হয়ে থাকে।

৩। খুচরা বনাম ইনস্টিটিউশন (Retail vs Institution)
ভলিউম: হঠাৎ বৃদ্ধি পায়, কারণ ইনস্টিটিউশন বড় অর্ডার দেয় এবং ছোটরা রিএক্ট করে।
ক্যান্ডেল সাইজ: বড় হয়, প্রাইস দ্রুত একদিকে যায়।
মার্কেট অবস্থা: নতুন ট্রেন্ড শুরু হয় — মার্কআপ (উর্ধ্বমুখী) নয়তো মার্কডাউন (নিম্নমুখী)
অর্থ: ইনস্টিটিউশনাল মানি এখন মার্কেটে প্রাধান্য নিচ্ছে। রিটেইল ট্রেডারদের অজান্তে তাদের অর্ডারগুলো ফিল করে প্রাইসে নতুন ট্রেন্ড তৈরী করে।