ডার্ভাস বক্স ট্রেডিং ম্যাথড

 ডার্ভাস বক্স ট্রেডিং ম্যাথড

আকৃতি/গঠনঃ
১) ডার্ভাস বক্স একটি রেক্ট্যাঙ্গুলার আকৃতির প্রাইস বক্স, যেখানে প্রাইস নির্দিষ্ট রেঞ্জের ভেতরে ওঠা-নামা করে।
২) বক্সের উপরের অংশ রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করে।
৩) বক্সের নিচের অংশ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে।
৪) নতুন হাই তৈরি হলে বক্স উপরের দিকে সরতে থাকে।
৫) ধারাবাহিকভাবে বক্স তৈরি হয়ে একটি আপ ট্রেন্ড কন্টিনিউ করে।
৬) এই প্যাটার্নে ভলিউমের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ।

সফলতার হারঃ
ডিএসই-তে তুলনামূলক কম জনপ্রিয় হলেও বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৭৫% ক্ষেত্রে সফল।

ট্রেড এক্সিকিউশনঃ

  • সেটআপঃ বাই সেটআপ।
  • প্রস্তুতিঃ প্রাইস যখন নতুন বক্স তৈরি করে, তখন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বক্সের উপরের অংশ ভাঙলে বুলিশ ব্রেকআউট।
  • ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্রাইস + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
  • বাইঃ আপসাইডে বক্স ভেঙে ওপরে উঠলে বাই।
  • সেল/নো অ্যাকশনঃ নিচের অংশ ভেঙে নামলে সেল বা এক্সিট।
  • এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে বা প্রাইস বক্সে ফিরে আসলে কুইক এসএল।
  • টিপিঃ নতুন বক্স হাইটের সমান বা পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স পর্যন্ত।
  • প্রফিট ট্রেইলিংঃ যদি স্টক/ইনডেক্স শক্তিশালী আপ ট্রেন্ডে থাকে, তবে প্রফিট ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
  • মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর সর্বোচ্চ ১৫%–২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
  • রিস্ক টু রিওয়ার্ড রেশিওঃ ন্যূনতম ১:২ হতে হবে।
  • লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ ১:০.৫ এর বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।
  • সতর্কতাঃ সাইডওয়ে মার্কেটে ফেইক ব্রেকআউট বেশি হয়, তাই ভলিউম কনফার্মেশন অপরিহার্য।