ট্রেডাররা কিভাবে স্মার্ট মানি বা ইনস্টিটিউশনাল এক্টিভিটি ধরতে চার্ট, ভলিউম, প্রাইস অ্যাকশন, বা অর্ডার ফ্লো ব্যবহার করে—:
১. চার্ট
- বড় ফান্ড সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি ট্রেন্ড তৈরি করে।
- হঠাৎ করে সাপোর্ট ভাঙা মানে হতে পারে বড় খেলোয়াড় বের হচ্ছে।
- হঠাৎ করে রেজিস্ট্যান্স ভেদ করা মানে হতে পারে বড় খেলোয়াড় ঢুকছে।
- উদাহরণ: ব্রেকআউটের আগে দাম লম্বা সময় ধরে চুপচাপ সাইডওয়েতে ঘুরতে থাকে, এরপর হঠাৎ জোরে উঠতে থাকে।
২. ভলিউম
- ভলিউম = পুঁজির চিহ্ন।
- দাম বাড়ার সাথে ভলিউম যদি অনেক বেড়ে যায়, বুঝতে হবে বড় টাকা ঢুকছে।
- দাম কমার সময় ভলিউম যদি খুব বেশি হয়, তবে বুঝতে হবে তারা বের হচ্ছে।
- বিশেষ করে অস্বাভাবিক ভলিউম স্পাইক অনেক সময় ইনস্টিটিউশনাল মুভের ইঙ্গিত।
৩. প্রাইস অ্যাকশন
- বড় খেলোয়াড়রা সবসময় একবারে পজিশন নেয় না, ধাপে ধাপে নেয়।
- তাই প্রাইসে দেখা যায়:
- একুমুলেশন ফেজঃ দাম খুব বেশি নড়ে না, কিন্তু নিচ থেকে ধীরে ধীরে কেনা হচ্ছে।
- মার্ক আপ ফেজঃ হঠাৎ দাম শক্তভাবে বাড়তে শুরু করে।
- ডিস্ট্রিবিউশন ফেজঃ দাম বারবার উঁচু যায়, আবার নেমে আসে – এখানে ধীরে ধীরে বিক্রি করা হয়।
৪. অর্ডার ফ্লো
- এটি উন্নত বিশ্লেষণ পদ্ধতি যেখানে বড় অর্ডার ট্র্যাক করা হয়।
- ব্লক অর্ডার দেখে বোঝা যায় বড় অর্ডার আসছে কিনা।
- যেমন: হঠাৎ বাই সাইডে বিশাল লট বসানো ।
- অনেক সময় বড়রা অর্ডার লুকায় (ডিপে অর্ডার বসায়) – ছোট ছোট করে এন্ট্রি নেয় / এক্সিট করে।
সারাংশঃ
- চার্ট বলে দেয় ট্রেন্ড ।
- ভলিউম বলে দেয় ট্রেন্ডের শক্তি।
- প্রাইস অ্যাকশন বলে দেয় ধাপে ধাপে তাদের কাজকর্ম।
- অর্ডার ফ্লো বলে দেয় তারা এখনই কিনছে নাকি বিক্রি করছে।