একুমুলেশন হলো সেই সময়কাল যখন স্মার্ট মানি বা ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডাররা ধীরে ধীরে শেয়ার কিনে জমাচ্ছে, কিন্তু এমনভাবে যেন বাজার / সাধারণ ট্রেডাররা বুঝতে না পারে।
একুমুলেশন পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য
- দীর্ঘ সময় ধরে সাইডওয়ে মুভমেন্ট
- প্রাইস বেশি বাড়ছে না, আবার পড়ছেও না।
- চার্টে সাধারণত রেঞ্জ-বাউন্ড কনসোলিডেশন দেখা যায়।
- উচ্চ ভলিউম, কিন্তু প্রাইস মুভমেন্ট ছোট
- অনেক শেয়ার হাতবদল হচ্ছে, কিন্তু প্রাইস তেমন নড়ছে না।
- কারণ: স্মার্ট মানি ধীরে ধীরে সংগ্রহ করছে।
- সাপোর্টের কাছে শক্তিশালী বায়িং প্রেসার
- সাপোর্ট টেস্ট করলে সাথে সাথে বাউন্স করে।
- বিক্রি হচ্ছে মনে হলেও আসলে বড় ফান্ডগুলো কিনছে।
- নিউজে নেগেটিভিটি
- ইচ্ছে করে খারাপ খবর ছড়ানো হতে পারে যাতে রিটেইল ট্রেডাররা সেল করে।
- স্মার্ট মানি তখন কম দামে কিনে নেয়।
- বড় পতনের পরে স্থির হয়ে যাওয়া
- মার্কেট ক্রাশ বা বড় ড্রপের পরে কয়েক মাস/সপ্তাহ ধরে স্থির রেঞ্জে থাকে।
- এটাও একুমুলেশনের ক্লাসিক লক্ষণ।
চার্টে যেভাবে বোঝা যায়-
- ভলিউম + প্রাইস একশন দেখে
- ভলিউম বাড়ছে, কিন্তু দাম খুব নড়ছে না → একুমুলেশন.
- Wyckoff Method এ একুমুলেশনের ধাপগুলো হলো:
- Phase A → Phase B → Phase C → Phase D → Phase E
- শেষমেশ বড় ব্রেকআউট হয়।
সারাংশঃ
একুমুলেশন হলো বাজারের একটি অন্ধকার কক্ষ। বাইরে থেকে শান্ত দেখায়, ভেতরে ভেতরে স্মার্ট মানি শেয়ার কিনে নিচ্ছে। ব্রেকআউটের আগে নীরব প্রস্তুতি নিচ্ছে।