***** খুব গুরুত্বপূর্ণ
Wyckoff এর একুমুলেশন রুপরেখাতে একুমুলেশনের ৫টা ধাপ (Phase A–E) থাকে। এগুলোকে সহজভাবে বুঝলে বোঝা যায় কখন স্মার্ট মানি শেয়ার সংগ্রহ করছে আর কখন ব্রেকআউট আসতে পারে।
একুমুলেশনের ধাপগুলো
Phase A – ডাউন ট্রেন্ড থামানো
- প্রাইস অনেক দিন ধরে পড়ে আসছিল → এখন আর পড়ছে না।
- সেলিং প্রেসার (সাপ্লাই) কমে আসছে।
- সাপোর্ট তৈরি হয়।
>>এখানে মূল উদ্দেশ্য হলো বড় পতন থামানো।

Phase B – সংগ্রহ শুরু
- এখানে স্মার্ট মানি ধীরে ধীরে কিনতে শুরু করে।
- দাম এক রেঞ্জের মধ্যে উপরে নিচে ওঠা-নামা করে (সাইড ওয়েজ)।
- ভলিউম থাকে বেশি, কিন্তু দামের মুভমেন্ট ছোট।
>>এখানে আসল একুমুলেশন হয়।

Phase C – ফলস ব্রেক ডাউন / শেক আউট / বেয়ার ট্রাপ
- হঠাৎ দাম সাপোর্ট ভেঙে নিচে নামে (ফলস ব্রেক ডাউন)।
- রিটেইল ট্রেডাররা ভয় পেয়ে সেল করে ফেলে।
- স্মার্ট মানি নিচে বসে আরও বেশি শেয়ার কিনে নেয়।
>> এটাকে বলা হয় ফলশ ব্রেক ডাউন বা শেক আউট বা বেয়ার ট্র্যাপ।

Phase D – মার্কআপ প্রিপারেশন
- এখন দাম আস্তে আস্তে রেঞ্জের উপরের দিকে যেতে শুরু করে।
- হায়ার হাই, হায়ার লো গঠন হয়।
- ব্রেকআউটের আগমনী সঙ্কেত।
>> এখানে রিটেইলাররা বুঝতেই পারে না, কিন্তু স্মার্ট মানি প্রস্তুত।

Phase E – মার্ক আপ / ব্রেক আউট
- দাম অবশেষে রেঞ্জ ভেঙে উপরে উঠে যায়।
- শক্তিশালী আপট্রেন্ড শুরু হয়।
>> এখানেই সাধারণ ট্রেডাররা ঢোকে, কিন্তু স্মার্ট মানি আগেই ঢুকে গেছে। - ট্রেডাররা অল্প লাভে বেরিয়ে যায় কিন্তু স্মার্ট মানি চলমান থাকে।

সংক্ষেপে ফ্লো:
Phase A (ডাউনট্রেন্ড থামে) → Phase B (শেয়ার সংগ্রহ শুরু) → Phase C (ফলস ব্রেক ডাউন/শেক আউট) → Phase D (মার্কআপ প্রস্তুতি) → Phase E (ব্রেক আউট ও নতুন ট্রেন্ড শুরু)